সর্বশেষ সংবাদ :

    • দৈনিক ফেনীর সময় নতুন ‍আঙ্গিকে পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে....

আজ ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ | |

ছাগলনাইয়া পৌরসভাও আ’লীগের দখলে কেন্দ্র দখল, ব্যাপক জালভোট, বোমাবাজি, ভোট বর্জন

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি : ফেনীর সবকটি দখলে নেয়ার পর এবার ছাগলনাইয়া পৌরসভাও দখলে নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত এ পৌরসভার নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে কেন্দ্র দখল করে ব্যাপক জালভোট দিয়ে বাক্স ভর্তির অভিযোগ এনে প্রতিদ্বন্ধী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র আলমগীর বি.এ নির্বাচন বর্জন করেন। এর আগে তিনি পৌরসভা গঠনের পর প্রথম দুইবার মেয়র পদে ছিলেন।
বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, মঙ্গলবার রাত থেকে নৌকা প্রতীকের সমর্থনে বিপুল সংখ্যক বহিরাগত ১০টি কেন্দ্র দখলে নেয়। ওইদিন রাতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেন্দ্রে না আসতে হুমকি-ধমকি দেয়। সকাল থেকে মুহুমুহু বোমা বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। এতে করে ভোটাররা কেন্দ্রে না আসায় বহিরাগতরা কেন্দ্রে প্রবেশ করে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে নৌকা ও পছন্দের কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীকে ব্যাপক জাল ভোট দিয়ে বাক্স ভর্তি করে। সকাল ৮ টার ভোটগ্রহন শুরুর কিছুক্ষন পর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১১নং বুথের সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার মো: শাহজাহানের কাছ থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয় কয়েকজন যুবক। এসময় তারা নৌকা, কাউন্সিলর প্রার্থীর উটপাখি ও ব্যাগ প্রতীকে সিল মারে। অবশ্য পরে ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আমিরাত হোসেন ৭০ ভোট বাতিল করেন। ছাগলনাইয়া শিশু পরিবার কেন্দ্রের ১৩নং বুথে নৌকা প্রতীকের ১শ ভোট ও পাশ্ববর্তী ১৪নং বুথে কাউন্সিলর প্রার্থীর পাঞ্জাবী প্রতীকের ৪৫টি ভোট বাতিল করেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো: ছাইদুল হক। ওই কেন্দ্রের ১০নং মহিলা বুথে কতিপয় বহিরাগত যুবক ব্যালটে সিল মারছে। আওয়ামীলীগ প্রার্থীর এজেন্ট প্রধান শিক্ষক আবদুল মোমিন পাটোয়ারী পোলিং অফিসার সেজে ব্যালটে স্বাক্ষর দিয়ে বাক্স ভর্তি করছেন। সবগুলো কেন্দ্রেই ছিল একই চিত্র। ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মুজাহিদুল ইসলাম এজেন্ট নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাকে বেদম মারধর করে। পৌনে ৯টায় ছাগলনাইয়া পাইলট হাই স্কুল কেন্দ্রে একটি বুথে ঢুকে দেখা গেল বহিরাগত যুবকরা ব্যালটে সিল মারছে। সাংবাদিক দেখেই ওরা পালিয়ে গেল। প্রিজাইডিং অফিসার এসে সিল মারা ব্যালট গুলি বাতিল করে বাক্সে ঢুকিয়ে দিলেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় ছাগলনাইয়া পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় শত শত বহিরাগত যুবক কেন্দ্রটি ঘিরে রেখেছে। কেন্দ্রে কোন ভোটার না আসায় সকাল ৯টা পর্যন্ত কোন ভোট পড়েনি। মৌলভী সামছুল করিম কলেজ কেন্দ্রে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ব্যালট পেপার কিছুই নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ওনারা উপরে সিল মারছে। ৫নং বুথে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নুরুল আমিন সিল মারা ব্যালট পেপার নিয়ে বসে আছেন। পৌনে ১০টায় মির্জার বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ৯টি বুথে ৯শ ভোট কাস্ট দেখিয়ে কর্তব্যরতরা বসে আছেন। ১০টা ৫মিনিটে দক্ষিন যশপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের মহিলা বুথের সামনে এক ঝাঁক পুলিশ কর্মকর্তা বসে আছেন। ওই কেন্দ্রের ৩টি মহিলা বুথে ভোট পড়েছে ১৭টি ও ৪টি পুরুষ বুথে ভোট পড়েছে ৩৯০টি। সাড়ে ১০টায় দক্ষিন সতর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৩টি পুরুষ বুথে ভোট পড়েছে ৫৯২টি। ১১টায় দক্ষিণ সতর নদীর কূল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বহিরাগতরা দখল করে প্রতিটি বুথে ব্যালটে সিল মারছে। এসময় প্রিজাইডিং অফিসার ৪নং মহিলা বুথে ১৩টি ভোট বাতিল করেন। এদিকে দক্ষিন সতর কেন্দ্রের পাশ থেকে ৮টি ককলেট উদ্ধার করেছে র‌্যাব।
এছাড়া মৌলভী সামছুল করিম কলেজ কেন্দ্র, দক্ষিন সতর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, দক্ষিন যশপুর কেন্দ্র সহ সবকটি কেন্দ্রের বহিরাগতদের মহড়ায় ভোটাররা আসতে পারেনি।
এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগ মনোনীত মো: মোস্তফা বলেন, পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নানা অভিযোগ করছে। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সকল দলের অংশগ্রহনে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে বলে তার দাবী। তিনি আরও বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়। তা ভোটের মাধ্যমে জনগন রায় দিয়েছে।
বিএনপি মনোনীত আলমগীর বি.এ অভিযোগ করেন, সকাল থেকে বহিরাগতরা ১০টি কেন্দ্র দখল করে কেন্দ্রের আশপাশে ব্যাপক বোমাবাজি করে ভোটারদের মাঝে আতংক সৃষ্টি করে। কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি না থাকলেও সকালেই ভোটবাক্স ভর্তি হয়ে যায়। বিষয়টি অবগত করতে তিনি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে একাধিকবার ফোন করেও তাদের পাওয়া যায়নি। তিনি প্রহসনের এ নির্বাচন বাতিল করে পুন:তফসিল ঘোষনার দাবী জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কেন্দ্রগুলোতে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। মেয়র প্রার্থী আলমগীর বি.এর মোবাইল করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে।

একরাম হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ ৫ জনের জবানবন্ধী রেকর্ড

স্টাফ রিপোর্টার : বহুল আলোচিত ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যা মামলায় স্ত্রী তাসনিম আক্তারসহ আরো ৫ স্বাক্ষী আদালতে জবানবন্ধী দিয়েছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ দেওয়ান মো: সফি উল্যাহর আদালতে তাদের জবানবন্ধী রেকর্ড করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একরাম হত্যা মামলার গ্রেফতারকৃত ৪০ আসামীর উপস্থিতিতে একরামের স্ত্রী তাসনিম আক্তার, আবুল বশর, মো: ইউসুফ, একে এম মহিউদ্দিন সামু আদালতে স্বাক্ষ্য দেন। আদালত তাদের জবানবন্ধি রেকর্ড করেন। এর আগে ১২ এপ্রিল একই আদালতে স্বাক্ষ্য দেন মামলার বাদী একরামের বড় ভাই রেজাউল হক জসিম ও ৪ মে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় দোকানদার রাব্বি ও সোহেল আদালতে স্বাক্ষ্য দেন। মামলার আসামী পক্ষের আইনজীবি গাজী তারেক আজিজ স্বাক্ষ্য গ্রহণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পিপি হাফেজ আহমদ জানান, এ মামলায় ৮ জনের স্বাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। আগামী ৮ জুন পরবর্তী স্বাক্ষ্যগ্রহনের তারিখ ধার্য্য করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত; ২০১৪ সালের ২০ মে ফেনী শহরের একাডেমী সড়কের জনাকীর্ণ সড়কে একরামুল হক একরামকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার পর তাকে বহনকারী গাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

ফেনীতে জন্মবার্ষিকীর আলোচনায় জেলা প্রশাসক নজরুল ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতি ও মানবতার কবি

রাসেল চৌধুরী : ফেনী জেলা প্রশাসক মো: আমিন উল আহসান বলেছেন, নজরুল ছিলেন অসাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতি ও মানবতার কবি। নজরুলের গান, কবিতা, গল্প আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। মুক্তিযুদ্ধে তার গানে আমরা অনুপ্রানিত হয়েছিলাম।
গতকাল বুধবার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, সরকারি জিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফাতেমা আফরোজ, ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বি.কম, এডভোকেট আক্রামুজ্জামান। প্রবন্ধ পাঠ করেন সোনাগাজী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ মহীউদ্দিন চৌধুরী। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার জাকিয়া আফরিন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমীর নির্বাহী সদস্য এডভোকেট রাশেদ মাযহার যৌথ সঞ্চালনা করেন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার এসএমটি কামরান হাসান। অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য, স্বরচিত কবিতা ও আবৃত্তি পরিবেশিত হয়। নজরুলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর ও শিশু একাডেমীর আয়োজনে চিত্রাংকন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৩০ শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।

নারায়নগঞ্জে প্রধান শিক্ষক নির্যাতনের প্রতিবাদে ফেনীতে শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নারায়নগঞ্জ পিয়ারু লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের উপর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের শারিরীক নির্যাতনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবীতে ফেনীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও ফেনী জেলা সভাপতি ডি.এম একরামুল হকের নেতৃত্বে শহরের ট্রাংক রোডে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেন ফেনী বালিকা বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মু. শহীদুল্লাহ, সুন্দরপুর এসআর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন, কালিদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, ছনুয়া ফাজিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আলম, পাঁচগাছিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম, ফাজিলপুর জিন্নাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শাহআলম, খাইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক হরে কৃষ্ণ বসাক, রামপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, এলাহীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মৃণাল কান্তি দেবনাথ, শর্শদী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক গাউছ মাহমুদ, আর.বি.হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিখ্সক রাখাল চন্দ্র, চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মশিউর রহমান, ফাজিলপুর জিন্নাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জহির উদ্দিন, ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক রুহুল আমিন সহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

সুস্বাদু কদবেলের অসাধারণ গুণ

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক : চলছে সুস্বাদু কদবেলের ভরা মৌসুম। বাজারে এর প্রাপ্তিও বেশ। লবণ মরিচের গুড়ায় কদবেল ভর্তার নাম শুনলে সহজেই জিভে জল আসে যে কারো। শক্ত খোলসে আবৃত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মৌসুমী এ ফল মূলত স্বাদের কথা বিবেচনা করেই খাওয়া হয়। তবে পুষ্টিগুণ বিচারে কদবেল সত্যিই অনন্য। কদবেলের আছে নানা পুষ্টিগুণ। এতে খাদ্যশক্তি রয়েছে কাঁঠাল ও পেঁয়ারার প্রায় সমান। আমিষের পরিমাণ রয়েছে আমের চেয়ে সাড়ে ৩ গুন, কাঁঠালের দ্বিগুন, লিচুর চেয়ে ৩ গুস, আমলকী ও আনারসের চেয়ে ৪ গুন বেশি এবং পেঁপের চেয়ে দ্বিগুনের একটু কম। প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলের পুষ্টিমান পানীয় অংশ ৮৫.৬ গ্রাম, খনিজপদার্থ ২.২ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪৯ কিলোক্যালোরি, আমিষ ৩.৫ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ৮.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫.৯ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৬ মিলি গ্রাম, ভিটামিন-বি ০.৮০ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন-সি ১৩ মিলিগ্রাম। জেনে নিন কদবেলে থাকা এসব উপাদান মানুষের শরীরে কী কী উপকার করতে সক্ষম।
পেটের রোগ নিরাময় : কদবেলে থাকা ট্যানিন নামক উপাদান দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া ও পেট ব্যথা ভালো করে। কদবেল গাছের বাকল মধু সঙ্গে মিশ্রিত করে খেলে পেটের রোগ আমাশয় ভারো করে। কাঁচা কদবেল ছোট এলাচ, মধু দিয়ে মাখিয়ে খেলে বদহজম দূর হয়। এই ফলের নির্যাস কলেরা এবং পাইলসের জন্য প্রতিষেধক ওষুধ হিসাবে কাজ করে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধক : কদবেলের নির্যাস ব্যাপকভাবে ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য আয়ূর্বেদী ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ : কদবেল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্নায়ুর শক্তি যোগায়। ত্বকের জ্বালা পোড়া কমাতে কদবেলের ক্বাথ মলম হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
কিডনি সুরক্ষা : কদবেল উদ্দীপক ও মূত্রবর্ধক কাজে বিশেষ উপাদেয়। এ ফল নিয়মিত খেলে কিডনি সুরক্ষিত রাখে। প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা কিডনি সমস্যা দূর করার জন্য সেরা প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে এটি ব্যবহার করতেন। এ ফল যকৃত ও হৃৎপিণ্ডের জন্যও বিশেষ উপকারী।
পেপটিক আলসার নিরাময়ে : কদবেল পাতার ক্বাথ পানীর সঙ্গে নিয়মিত পান করলে পেপটিক আলসার দ্রুত ভালো হয়। আলসারের খত সারাতে তাজা কদবেল বেশ কার্যকরী।
রূপচর্চায় সহায়ক : ব্র“ণ ও মেছতায় কাঁচা কদবেলের রস মুখে মাখলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিরাময় : কদবেল পাতার নির্যাস শ্বাসযন্ত্রের চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। দুধ এবং চিনি দিয়ে কদবেলের পাতা মিশিয়ে স্নেহপূর্ণ খাদ্য তৈরি হয়। এই রস শিশুদের পেটের ব্যথার চিকিৎসায় চমৎকার কাজ করে। কদবেল যকৃত ও হৃৎপিণ্ডের জন্যও বিশেষ উপকারী।
রক্ত স্বল্পতা রোধ : এই ফল রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। বুক ধড়ফড় এবং রক্তের নিম্নচাপ রোধেও সহায়ক। চিনি বা মিছরির সঙ্গে কদবেল পাউডার মিশিয়ে খেলে সঙ্গে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয় এবং রক্তস্বল্পতাও দূর হয়।

অদম্য মেধাবী ফারুক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়

আলী হায়দার মানিক : ফেনী শহরতলীর পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ইলাশপুর গ্রামের এক চা দোকানীর ছেলে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। অদম্য মেধাবী ইকবাল হোসেন ফারুকের বাবা ইলাশপুর রকমারী মৎস্য খামার সংলগ্ন স্থানে একটি চা দোকান করে। চা দোকান করে পরিবার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ায় হিমশিম খেতে দেখে ফারুকের মা গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। শুধু তাই নয় তার দুই বোনও ঝি এর কাজ করেন। মা এবং বোন উভয় ঝি এর কাজ করায় বাড়িতে একাই থাকতে হয় ফারুককে। সে রান্না-বান্নসহ যাবতীয় কাজের ফাঁকে নিয়মিত অধ্যয়ন করতো। সাধারনত রান্না-বান্না ও বাড়ির আনুসাঙ্গিক কাজগুলো মহিলারাই করে থাকে। কিন্তু ফারুকের মা ও বোন ঝি এর কাজ করায় সে সব কাজ করতে হতো। যাবতীয় কাজকর্ম করার পরও সে পড়া-লেখার পাশ্বাপাশি প্রাইভেট পাঠানোর জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটে চলে। ফারুক জানায়, সে পরিবারের অভাব অনটন দেখে অষ্টম শ্রেণিতে পড়–য়া অবস্থা থেকেই প্রাইভেট পাড়ানো শুরু করে। পরিবারের অভাব অনটনের মধ্যে তাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি জিপিএ-৫ পাওয়া। সে অভাব অনটনকে হারমানিয়ে জিপিএ-৫ ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ফারুক ইলাশপুর গ্রামের মোলকত মেম্বার বাড়ির একরাম হোসেন ও রেজিয়া বেগমের ৫ সন্তানের মধ্যে ৪র্থ। সে পাঁচগাছিয়া এ জেড খাঁন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। ইকবাল হোসেন ফারুক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। সমাজের বৃত্তবানদের দোয়া ও সহযোগিতায় অদম্য মেধাবী ফারুক প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাফল্যের প্রত্যয়  কামনা করেছে। এদিকে ফারুকের পিতা একরাম হোসেন জানান, তাদের কোন রকম জায়গা-জমি নেই। শুধু মাত্র এক থেকে দেড় শতাংশ বসত ভিটা আছে। যেখানো কোন রকম মাথা নোয়ানোর ঠাই হয়।
রকমারী মৎস্য খামারের স্বত্ত্বাধিকারী এডভোকেট আহসান হাবিব সাজু ফেনীর সময় কে জানান, নি:স্ব পরিবার হওয়ায় ফারুকের মা ও বোন তার বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে এবং তার বাবাকে খামারের পাশে একটি চা দোকান করা সুযোগ দেয়।

মানবিক সেলফি উৎসব : কিছু কথা

মো: আবদুস সালাম ###
সেলফি ! বর্তমান সময়ে বিশেষ করে হালের তরুণ-তরুণী থেকে সকল বয়সের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণে অকারণে, বন্ধুত্বের আড্ডা থেকে শুরু করে পথে-ঘাটে, জনপদ কিংবা গহীন অরণ্যেও আমরা সেলফি তুলি। ‘কেএফসি’ কিংবা ‘পাঁচ তারকা’ হোটেলেও ভালো খাবার খেতে খেতে আমরা সেলফি তুলি। অনেক দামি নতুন কেনা রং-বেরং এর পোশাক পরেও আমরা সেলফি তুলি। শীত-গ্রীষ্ম কিংবা বসন্ত সবসময় আমরা সেলফি তুলি, আমাদের আনন্দের, ভালোবাসার, বন্ধুত্বের বন্ধন, প্রিয়জনের সাথে কাটানো ক্ষণিকের সুখের সময়টুকু ধরে রাখতে প্রিয় মানুষদের কে জানাতে। সেলফি কি তাহলে আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে? হয়তো তাই! তাহলে এই সেলফিতে কি সবাই হাসতে পারে? নিজের আনন্দ আর সুখটুকু অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে? ঐ যে প্রচন্ড শীতের রাতে রেলষ্টেশন কিংবা ফুটপাতে কুয়াশা আর হিমহিম বাতাসের মাঝে কোন রকম শীতবস্ত্র ছাড়াই শুয়ে থাকা শিশু, বৃদ্ধা, অসহায় মানুষগুলো, রিক্সাচালক কিংবা খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কি সেলফি তুলার মানে বুঝে? বুঝে না। তারা পেট ভরে দু’বেলা ডাল-ভাত খেতে চায়। শীতে কিংবা গ্রীষ্মে একটু বস্ত্র চায়, আশ্রয় চায়। প্রচন্ড ঠান্ডায় একটু উষ্ণতার জন্য শীত বস্ত্রের প্রচন্ড অভাব অনুভব করেন। আমার প্রশ্ন হল, এই অসহায় মানুষগুলো কে বাদ দিয়ে আমাদের খুশির সেলফি তুলা কতটুকুই বা অর্থপূর্ণ। তাহলে কি আমরা সেলফি তুলবো না? হ্যাঁ, আমরা সবাই সেলফি তুলবো। আমাদের সেলফিতে হাসবে সমাজের এই অসহায় মানুষগুলোও। তাই ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের বন্ধুদের কাছে একটি ম্যাসেজ বা আহবান পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাতে সাড়া দিয়ে সারাদেশ থেকে অসংখ্য সুন্দর মনের মানুষ, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশের কলকাতা, মধ্যপাচ্যের কাতার, বাহারাইন থেকেও উটের জকি বা প্রচন্ড গরমে বাংলাদেশী শ্রমিকদের তৃষ্ণা মিটিয়ে হাসিমুখের সেলফি পাঠিয়েছেন অনেকেই? সারা দেশের অনেক স্কুল কলেজের, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক নয় শুধু  অনেক লেখক-কবি, চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাধারন মানুষও অংশগ্রহন করেছেন, তাদের সেলফি পাঠিয়েছেন। এই সেলফি গুলোকে আমরা নাম দিয়েছি মানবিক সেলফি। আর এই উৎসবের নাম দিয়েছি মানবিক সেলফি উৎসব। কারন, তাঁরা সমাজের এই অসহায় মানুষগুলোর মলিন, ছেঁড়া-ময়লা পোশাক পড়া অসহায় মানুষের মুখে একটু খাবার তুলে দিয়ে ওদের সাথে হাসিমুখে সেলফি তুলেছেন, কেউ কেউ শিশুদের কে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দিয়ে সেলফি তুলেছেন, কেউ প্রচন্ড ঠান্ডায় ঘুমন্ত মানুষগুলোর গায়ে একটি কম্বল বা শীত বস্ত্র জড়িয়ে দিয়েও সেলফি তুলেছেন, কেউ কেউ প্রচন্ড শীতে যখন গরম কপিতে চুমুক দিচ্ছেন তখন পাশের টোকাই ছেলেটা কেও কপি খাইয়ে ওর সাথে হাসিমুখে সেলফি তুলেছেন। আপনারা যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন অসহায় মাুষগুলোর প্রতি তা চমৎকার একটি দৃষ্টান্ত। আপনারা আপনাদের মানবিক মনের মানবিক সৌন্দর্যটুকু প্রকাশ করেছেন। আমরা আপনাদের মানবিক সনদ দিয়ে সম্মানিত করছি, আসল সম্মান তো নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আপনাদের দিবেন।  এই মানবিক সেলফি উৎসবে যারা অংশগ্রহন করেছেন তারা প্রমাণ করেছেন, আপনার সবাই সুন্দর মনের মানুষ। আপনারা চাইলেই সমাজের ছিন্নমূল অসহায় মানুষগুলোও ভালো থাকতে পারেন। আপনারা দেখিয়েছেন মানুষকে ভালোবাসার চেয়ে, মানুষের সেবা করার চেয়ে মহৎ কিছু নেই। আপনারা সমাজের অসহায় শিশুদের সাথে, অসহায় নারীদের সাথে, খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর সাথে, মানুষগুলোকে ভালোবেসে, ওদের কে নিজের সাধ্যমত সহযোগিতা দিয়ে, সেবা দিয়ে হাসিমুখে ওদেরকে বুকে জড়িয়ে ধরে সেলফি তুলেছেন। এই সেলফি বিলাসিতার নয়, অহংকারেরও নয়। এই সেলফি মানবিক সেলফি। এই সেলফি অসহায় মানুষকে ভালোবাসার আপন করে নেওয়ার সেলফি। এই সেলফি আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসার বন্ধনকে সুদৃঢ় করেছে। আপনারা দেখিয়েছেন ফেসবুকের মাধ্যমেও সমাজের জন্য ভালো ও মহৎ কাজ করা যায়। আজকের এই মানবিক সেলফি উৎসবের সনদ বিতরনী অনুষ্ঠানে আগত সকল অতিথি, অংশগ্রহণকারী, সকল বন্ধু-শুভাকাঙ্খী, দৈনিক ফেনীর সময় পরিবার ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক শ্রদ্ধাভাজন জনাব মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা চাইলেই উদার মন নিয়ে সমাজের অসহায় মানুষগুলোর জন্য আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়েও ভালো কাজ, মহৎ কাজ করতে পারি। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য- শুধু গানে নয়, আমরা সবাই মিলে চাইলেই বাস্তবে তা প্রমান করতে পারি। আমাদের একটু ভালো কাজের বিনিময়ে সমাজের অসহায় মানুষগুলোও ভালো থাকুক, তাদের মুখে হাসি ফুটে উঠুক বারে বারে। এই হোক আমাদের সকলেরই প্রত্যাশা।

লেখক : মানবিক সেলফি উৎসব সমন্বয়ক।

জাতীয় ব্যাডমিন্টনে অংশ নিচ্ছে ফেনী

ক্রীড়া সময় ডেস্ক : ৩৪ তম জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশীপে অংশ নিচ্ছে ফেনী জেলা দল। রবিবার বেলা ১১ টার দিকে ফেনীর ৭ সদস্যের খেলোয়াড় দল ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। ব্যাডমিন্টন টিমে রয়েছে রাজেশ চন্দ্র দে, জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ, আবু সালেহ আরাফাত, কায়েস মাহমুদ অপু, পংকজ কুমার বণিক, আবদুল্লা আল মামুন। টিম ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছেন সাবেক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় তসলিম উদ্দিন হাজারী।

৬৪ তে পা রাখলেন কবি মনজুর তাজিম

সময় রিপোর্ট : ৬৪ তে পা রাখলেন কবি মনজুর তাজিম। ১৯৫২ সালের ৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় পিতার কর্মস্থলে জন্মগ্রহন করেন। তার মাতা ফেরদৌস আরা বেগম ও মরহুম পিতা কাজী আহমেদুল হক এর দ্বিতীয় সন্তান। তারা ৪ ভাই ও ৪ বোন। তিনি ছোটকাল থেকে গ্রামের বাড়ী ছাগলনাইয়া উপজেলার হরিগ্রামে তাঁর শৈশব কাটে। তখন থেকে তার লেখালেখির হাতেখড়ি। তিনি ফেনী পাইলট হাই স্কুল থেকে ১৯৭০ সালে ম্যাট্টিক পাশ করে ফেনী সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ হয়ে নোয়াখালী সরকারী কলেজ থেকে øাতক ডিগ্রী অর্জন করে।
এ যাবতকালে তার অন্তত ১০টি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি অব্যাহতভাবে লিখে চলেছেন। কবির সহধর্মীনির নাম বিফলা তাজিম। অপু ও তপু দুই যমজ সন্তানের জনক।

ইন্টারনেটে বোকা হচ্ছে মানুষ !

সময় ডেস্ক : ইন্টারনেটের হাত ধরে মানুষ যখন দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় বেঁধে ফেলেছে, তখন ‘অন্তর্জাল’-এর ব্যবহারের ওপর প্রশ্ন তুললেন বিজ্ঞানীরা৷ নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনের ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী মানুষের পড়াশোনা সংক্রান্ত আচরণের ওপর গবেষণা করতে গিয়ে খুঁজে পেলেন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ তারা জানাচ্ছেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে মানুষ দিন দিন বোকা হয়ে যাচ্ছে৷ ইন্টারনেটের বিশাল জগত আমাদের সামনে সীমাহীন তথ্যভাণ্ডার তুলে দিয়েছে। কিন্তু অনলাইনে বিভিন্ন বিষয় পড়লে মানুষের চেতনা বা বোধশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলেই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা৷
ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ভ্যাল হুপার ও তার সহযোগী গবেষক চান্না হেরাথ অনলাইনে পড়াশোনা এবং অফলাইনে (বইপত্র) পড়াশোনার ধরন ও প্রভাব নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এতে দেখা যায়, ইন্টারনেটভিত্তিক পড়াশোনায় মানুষের মনে রাখার সামর্থের ওপর কোনোও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তারা অনেক সময় নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দেন।
অন্যদিকে, বই পড়ে মানুষ যে পরিমাণ গভীর মনোযোগ, উপলব্ধি, তথ্যধারণ ও স্মৃতিচারণা করতে পারেন, অনলাইন পড়াশোনায় তা সম্ভব নয়৷ইন্টারনেটে নিবিড় পড়াশোনার পরিবর্তে সাধারণত দ্রুত পড়ার প্রতি আকৃষ্ট হয় মানুষ। আবার ই-মেল, সংবাদ অনুসন্ধান, বিভিন্ন লিঙ্কে ঢুঁ মারা বা ভিডিও ক্লিপস দেখতে গিয়ে অনলাইনে নিবিড় পড়াশোনায় বিঘœ ঘটে৷হুপার বলেন, কম্পিউটারে পড়াশোনা করতে গেলে মনোযোগ অন্যদিকে যাবেই। এটাই প্রত্যাশিত৷
গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, মনে রাখার সুবিধার্থে অনেকে ইন্টারনেটের বিভিন্ন বিষয় কাগজে প্রিন্ট করে নিয়ে তারপর পড়েন। এতে তাদের মনোযোগ বেশি থাকে এবং পড়াশোনার সুফলও পুরোপুরি পাওয়া যায়। আর সে কারণেই লোকজন এখনও কাগজে ছাপা অক্ষর পড়তেই বেশি সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন৷- ওয়েবসাইট।

May 2016
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1 2 3 4 5 6 7
8 9 10 11 12 13 14
15 16 17 18 19 20 21
22 23 24 25 26 27 28
29 30 31 1 2 3 4