সর্বশেষ সংবাদ :

    • দৈনিক ফেনীর সময় নতুন ‍আঙ্গিকে পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে....

আজ ১৬ আষাঢ় ১৪২৩ বঙ্গাব্দ | |

ফেনী পুলিশ লাইনে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণকালে ডিআইজি শফিকুল ইসলাম মানুষের অভিশাপের টাকা কখনো উপকারে আসবে না

আলী হায়দার মানিক : চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাং শফিকুল ইসলাম বলেছেন, মানুষের অভিশাপের টাকা কখনো কোন উপকারে আসবে না। অপকর্মের টাকা দিয়ে বিল্ডিং করলে সে বিল্ডিং এর ইট এক এক করে খসে পড়ে। তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা যাই করেন না কেন আমাদের সম্মান নষ্ট করবেন না। আপনার সম্মান, পরিবারের সম্মান, সর্বোপরি পুলিশ বিভাগের সম্মান রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের সবার। এমন কাজ করবেন যাতে করে আমরা মাথা উঁচু করে চলতে পারি। ঘুষ খাওয়া আপনি কখনো বন্ধ করতে পারবেন না। সিগারেট যেমন বন্ধ করে আবার একটু খাওয়ার ইচ্ছা জাগে তেমনি ঘুষও ইচ্ছা করলেও বন্ধ করতে পারবেন না। আপনি যদি মনে করেন যে ঢাকায় একটি প্লাটের বুকিং দিয়েছি ৩০ লাখ টাকা লাগবে। এর পর আবার ঘুষ খাওয়া বন্ধ করে দিবো। তারপর বলবেন আমারতো ছেলে-মেয়ে দুইজন, প্লাটতো আরো একটি লাগবে। এরকম করতে করতে আসলে ঘুষ খাওয়া বন্ধ করা যায় না। এমন কোন কাজ করবেন না যে কারনে আপনার মা-বাবার চোখের পানি আসে এবং পুলিশ বিভাগ অসম্মানিত হয়।
গতকাল বুধবার বিকালে ফেনী পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে পুলিশ সমাবেশ উপলক্ষে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী ও বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ফেনীর পুলিশ সুপার মো: রেজাউল হক পিপিএম’র সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) শাহরিয়ার আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, ফেনী মডেল থানার ওসি মো: মাহবুব মোরশেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পুলিশ সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন ইভেন্টে পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন ডিআইজি মোহাং শফিকুল ইসলাম।
এর আগে ফেনী পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজে নবনির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একাডেমিক ভবনের ২য় তলার উদ্বোধন করেন ডিআইজি মোহা: শফিকুল ইসলাম বিপিএম। পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শামীমা আক্তার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হয়।

বিশিষ্টজনদের সম্মানে ফেনী সাংবাদিক ফোরামের ইফতার

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকাস্থ ফেনী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ফেনীর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় বসবাসরত বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ইফতার মাহফিলটি ফেনীবাসীর মিলনমেলায় পরিণত হয়। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মহিউদ্দিন আহমদ, অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবদীন ভিপি, বাসসের সাবেক প্রধান সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বেদু, বাসসের বার্তা সম্পাদক ও  জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক কাজী রফিক, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক আশরাফ মাহমুদ, আজকের সূর্যোদয়ের প্রধান সম্পাদক খোন্দকার মোজাম্মেল হক, দিগন্ত টিভির ডিএমডি মজিবুর রহমান মঞ্জু, কবি ও সাংবাদিক মাহবুব আলতমাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু আহমেদ, ড. জসিম উদ্দিন, ড. আনসারুল আলম, অধ্যাপক হাসান আল শাফি, অধ্যাপক রাশীদ মাহমুদ, জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী, ফেনী জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী গোলাম মাইন উদ-দীন, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক তাহের, জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা চৌধুরী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রিন্টু আনোয়ার, জেএসডির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া খন্দকার, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আমিন হেলালী, ফিফার ফুটবল রেফারি শাহাদাত হোসেন বাদল, ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক, সাবেক সভাপতি মোতাহের হোসেন মাসুম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক লোটন একরাম প্রমুখ। ফোরামের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সেলিম জাহিদসহ নির্বাহী পরিষদের সদ্যরা অনুষ্ঠানে আগতদের অভ্যর্থনা জানান। পরে নেতৃবৃন্দ তাদের ধন্যবাদ জানান।

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত

শহর প্রতিনিধি : ৮ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষ্যে ফুলে ফুলে ভরে গেছে দৈনিক ফেনীর সময় প্রধান কার্যালয়। গতকাল সোমবার বুধবার বেলা ১১ টায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসবে অংশ নেন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, শিক্ষাবিদ, কবি, লেখক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সহ ফেনীর সময় পরিবারের সদস্যরা। একে একে শুভেচ্ছা জানান ফেনী জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সার্জন, ৪ বিজিবি, সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি, ফেনী প্রেস ক্লাব (একাংশ), বিএমএ, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, ফেনী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতি, ফেনী শহর ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি, ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ওনার্স এসোসিয়েশন, ফেনী ব্যাংকার্স ফোরাম, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা), বিএনপি, পৌর যুবলীগ, সরকারি কলেজ ও পৌর ছাত্রলীগ, যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, স্টার লাইন গ্র“প, গ্র্যান্ড হক টাওয়ার, বীকন মডেল কলেজ, হাজী নজির আহম্মদ গ্র“প, বন্ধুর বন্ধন, ফেনী সরকারি কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান এ্যালমনাই এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী, ডেফোডিল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, দৈনিক স্টার লাইন, আলোকিত সোনাগাজী, ভাটিয়াল, পূবালী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আর্য্য সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, জাতীয় কবিতা পরিষদ, রোটারী ক্লাব অব ফেনী সেন্ট্রাল, রোটারী ক্লাব অব ফেনী অপূর্ব, রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব ফেনী অপূর্ব, ইন্টার‌্যাক্ট ক্লাব অব ফেনী অপূর্ব, আমরা ক’জন স্বেচ্ছাসেবী, আভাস, ফেনী থিয়েটার, ফুলকুঁড়ি আসর, স্বরুপ সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদ, বালিগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, কনসেপ্ট হাসপাতাল, উপশম হাসপাতাল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ঘাসফড়িং, ফিউচার প্রগ্রেস ফাউন্ডেশন, শাহাপুর মুন স্টার ক্লাব, অনুপ্রাস জাতীয় কবিতা পরিষদ, সোলমেট, সিঙ্গার শো-রুম, মীম এন্টার প্রাইজ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

ওমরাহ পালনে আলহাজ্ব নুর উদ্দিন

শহর প্রতিনিধি : ফেনীর স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাজী নজির আহমদ গ্র“পের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর উদ্দিন স্বপরিবারে গতকাল বুধবার বিকালে ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে সৌদিআরব গেছেন। গ্র“পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব নুর আজম জানান, গতকাল বিকালে তিনি তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার লিমা ও কন্যাদ্বয় সহ পবিত্র ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা আন্তজার্তিক শাহাজালাল বিমান বন্দর হয়ে দেশ ত্যাগ করেছেন। ওমরা পালন কালে তারা পবিত্র মক্কা-মদীনা শরীফ জিয়ারত ছাড়াও বিভিন্ন ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন নিদর্শন সমূহ পরিদর্শন করবেন। বিশেষ করে লায়লাতুল কদরের মতো বরকতময় রাতটিতে তিনি সেখানে অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন। ওমরা পালনকালে তিনি মুসলিম উম্মাহ, দেশবাসী, আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার পরিজনের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ ভাবে দোয়া প্রার্থনা করবেন। তিনি যাতে করে মাহে রমজানের মতো বরকতমত মাসে সুস্থভাবে ওমরা পালন এবং নবী (সাঃ) পাক রওজা-শরীফ জিয়ারত সহ ইবাদত বন্দেগী সম্পন্ন করতে পারেন এ জন্য ফেনীবাসী ও তার সুধী শুভাকাঙ্খীদের প্রতি দোয়া চেয়েছেন।

সুস্বাদু কদবেলের অসাধারণ গুণ

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক : চলছে সুস্বাদু কদবেলের ভরা মৌসুম। বাজারে এর প্রাপ্তিও বেশ। লবণ মরিচের গুড়ায় কদবেল ভর্তার নাম শুনলে সহজেই জিভে জল আসে যে কারো। শক্ত খোলসে আবৃত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মৌসুমী এ ফল মূলত স্বাদের কথা বিবেচনা করেই খাওয়া হয়। তবে পুষ্টিগুণ বিচারে কদবেল সত্যিই অনন্য। কদবেলের আছে নানা পুষ্টিগুণ। এতে খাদ্যশক্তি রয়েছে কাঁঠাল ও পেঁয়ারার প্রায় সমান। আমিষের পরিমাণ রয়েছে আমের চেয়ে সাড়ে ৩ গুন, কাঁঠালের দ্বিগুন, লিচুর চেয়ে ৩ গুস, আমলকী ও আনারসের চেয়ে ৪ গুন বেশি এবং পেঁপের চেয়ে দ্বিগুনের একটু কম। প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলের পুষ্টিমান পানীয় অংশ ৮৫.৬ গ্রাম, খনিজপদার্থ ২.২ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪৯ কিলোক্যালোরি, আমিষ ৩.৫ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ৮.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫.৯ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৬ মিলি গ্রাম, ভিটামিন-বি ০.৮০ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন-সি ১৩ মিলিগ্রাম। জেনে নিন কদবেলে থাকা এসব উপাদান মানুষের শরীরে কী কী উপকার করতে সক্ষম।
পেটের রোগ নিরাময় : কদবেলে থাকা ট্যানিন নামক উপাদান দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া ও পেট ব্যথা ভালো করে। কদবেল গাছের বাকল মধু সঙ্গে মিশ্রিত করে খেলে পেটের রোগ আমাশয় ভারো করে। কাঁচা কদবেল ছোট এলাচ, মধু দিয়ে মাখিয়ে খেলে বদহজম দূর হয়। এই ফলের নির্যাস কলেরা এবং পাইলসের জন্য প্রতিষেধক ওষুধ হিসাবে কাজ করে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধক : কদবেলের নির্যাস ব্যাপকভাবে ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য আয়ূর্বেদী ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ : কদবেল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্নায়ুর শক্তি যোগায়। ত্বকের জ্বালা পোড়া কমাতে কদবেলের ক্বাথ মলম হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
কিডনি সুরক্ষা : কদবেল উদ্দীপক ও মূত্রবর্ধক কাজে বিশেষ উপাদেয়। এ ফল নিয়মিত খেলে কিডনি সুরক্ষিত রাখে। প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা কিডনি সমস্যা দূর করার জন্য সেরা প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে এটি ব্যবহার করতেন। এ ফল যকৃত ও হৃৎপিণ্ডের জন্যও বিশেষ উপকারী।
পেপটিক আলসার নিরাময়ে : কদবেল পাতার ক্বাথ পানীর সঙ্গে নিয়মিত পান করলে পেপটিক আলসার দ্রুত ভালো হয়। আলসারের খত সারাতে তাজা কদবেল বেশ কার্যকরী।
রূপচর্চায় সহায়ক : ব্র“ণ ও মেছতায় কাঁচা কদবেলের রস মুখে মাখলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিরাময় : কদবেল পাতার নির্যাস শ্বাসযন্ত্রের চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। দুধ এবং চিনি দিয়ে কদবেলের পাতা মিশিয়ে স্নেহপূর্ণ খাদ্য তৈরি হয়। এই রস শিশুদের পেটের ব্যথার চিকিৎসায় চমৎকার কাজ করে। কদবেল যকৃত ও হৃৎপিণ্ডের জন্যও বিশেষ উপকারী।
রক্ত স্বল্পতা রোধ : এই ফল রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। বুক ধড়ফড় এবং রক্তের নিম্নচাপ রোধেও সহায়ক। চিনি বা মিছরির সঙ্গে কদবেল পাউডার মিশিয়ে খেলে সঙ্গে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয় এবং রক্তস্বল্পতাও দূর হয়।

অদম্য মেধাবী ফারুক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়

আলী হায়দার মানিক : ফেনী শহরতলীর পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ইলাশপুর গ্রামের এক চা দোকানীর ছেলে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। অদম্য মেধাবী ইকবাল হোসেন ফারুকের বাবা ইলাশপুর রকমারী মৎস্য খামার সংলগ্ন স্থানে একটি চা দোকান করে। চা দোকান করে পরিবার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ায় হিমশিম খেতে দেখে ফারুকের মা গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। শুধু তাই নয় তার দুই বোনও ঝি এর কাজ করেন। মা এবং বোন উভয় ঝি এর কাজ করায় বাড়িতে একাই থাকতে হয় ফারুককে। সে রান্না-বান্নসহ যাবতীয় কাজের ফাঁকে নিয়মিত অধ্যয়ন করতো। সাধারনত রান্না-বান্না ও বাড়ির আনুসাঙ্গিক কাজগুলো মহিলারাই করে থাকে। কিন্তু ফারুকের মা ও বোন ঝি এর কাজ করায় সে সব কাজ করতে হতো। যাবতীয় কাজকর্ম করার পরও সে পড়া-লেখার পাশ্বাপাশি প্রাইভেট পাঠানোর জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটে চলে। ফারুক জানায়, সে পরিবারের অভাব অনটন দেখে অষ্টম শ্রেণিতে পড়–য়া অবস্থা থেকেই প্রাইভেট পাড়ানো শুরু করে। পরিবারের অভাব অনটনের মধ্যে তাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি জিপিএ-৫ পাওয়া। সে অভাব অনটনকে হারমানিয়ে জিপিএ-৫ ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ফারুক ইলাশপুর গ্রামের মোলকত মেম্বার বাড়ির একরাম হোসেন ও রেজিয়া বেগমের ৫ সন্তানের মধ্যে ৪র্থ। সে পাঁচগাছিয়া এ জেড খাঁন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। ইকবাল হোসেন ফারুক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। সমাজের বৃত্তবানদের দোয়া ও সহযোগিতায় অদম্য মেধাবী ফারুক প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাফল্যের প্রত্যয়  কামনা করেছে। এদিকে ফারুকের পিতা একরাম হোসেন জানান, তাদের কোন রকম জায়গা-জমি নেই। শুধু মাত্র এক থেকে দেড় শতাংশ বসত ভিটা আছে। যেখানো কোন রকম মাথা নোয়ানোর ঠাই হয়।
রকমারী মৎস্য খামারের স্বত্ত্বাধিকারী এডভোকেট আহসান হাবিব সাজু ফেনীর সময় কে জানান, নি:স্ব পরিবার হওয়ায় ফারুকের মা ও বোন তার বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে এবং তার বাবাকে খামারের পাশে একটি চা দোকান করা সুযোগ দেয়।

মানবিক সেলফি উৎসব : কিছু কথা

মো: আবদুস সালাম ###
সেলফি ! বর্তমান সময়ে বিশেষ করে হালের তরুণ-তরুণী থেকে সকল বয়সের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণে অকারণে, বন্ধুত্বের আড্ডা থেকে শুরু করে পথে-ঘাটে, জনপদ কিংবা গহীন অরণ্যেও আমরা সেলফি তুলি। ‘কেএফসি’ কিংবা ‘পাঁচ তারকা’ হোটেলেও ভালো খাবার খেতে খেতে আমরা সেলফি তুলি। অনেক দামি নতুন কেনা রং-বেরং এর পোশাক পরেও আমরা সেলফি তুলি। শীত-গ্রীষ্ম কিংবা বসন্ত সবসময় আমরা সেলফি তুলি, আমাদের আনন্দের, ভালোবাসার, বন্ধুত্বের বন্ধন, প্রিয়জনের সাথে কাটানো ক্ষণিকের সুখের সময়টুকু ধরে রাখতে প্রিয় মানুষদের কে জানাতে। সেলফি কি তাহলে আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে? হয়তো তাই! তাহলে এই সেলফিতে কি সবাই হাসতে পারে? নিজের আনন্দ আর সুখটুকু অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে? ঐ যে প্রচন্ড শীতের রাতে রেলষ্টেশন কিংবা ফুটপাতে কুয়াশা আর হিমহিম বাতাসের মাঝে কোন রকম শীতবস্ত্র ছাড়াই শুয়ে থাকা শিশু, বৃদ্ধা, অসহায় মানুষগুলো, রিক্সাচালক কিংবা খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কি সেলফি তুলার মানে বুঝে? বুঝে না। তারা পেট ভরে দু’বেলা ডাল-ভাত খেতে চায়। শীতে কিংবা গ্রীষ্মে একটু বস্ত্র চায়, আশ্রয় চায়। প্রচন্ড ঠান্ডায় একটু উষ্ণতার জন্য শীত বস্ত্রের প্রচন্ড অভাব অনুভব করেন। আমার প্রশ্ন হল, এই অসহায় মানুষগুলো কে বাদ দিয়ে আমাদের খুশির সেলফি তুলা কতটুকুই বা অর্থপূর্ণ। তাহলে কি আমরা সেলফি তুলবো না? হ্যাঁ, আমরা সবাই সেলফি তুলবো। আমাদের সেলফিতে হাসবে সমাজের এই অসহায় মানুষগুলোও। তাই ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের বন্ধুদের কাছে একটি ম্যাসেজ বা আহবান পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাতে সাড়া দিয়ে সারাদেশ থেকে অসংখ্য সুন্দর মনের মানুষ, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশের কলকাতা, মধ্যপাচ্যের কাতার, বাহারাইন থেকেও উটের জকি বা প্রচন্ড গরমে বাংলাদেশী শ্রমিকদের তৃষ্ণা মিটিয়ে হাসিমুখের সেলফি পাঠিয়েছেন অনেকেই? সারা দেশের অনেক স্কুল কলেজের, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক নয় শুধু  অনেক লেখক-কবি, চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাধারন মানুষও অংশগ্রহন করেছেন, তাদের সেলফি পাঠিয়েছেন। এই সেলফি গুলোকে আমরা নাম দিয়েছি মানবিক সেলফি। আর এই উৎসবের নাম দিয়েছি মানবিক সেলফি উৎসব। কারন, তাঁরা সমাজের এই অসহায় মানুষগুলোর মলিন, ছেঁড়া-ময়লা পোশাক পড়া অসহায় মানুষের মুখে একটু খাবার তুলে দিয়ে ওদের সাথে হাসিমুখে সেলফি তুলেছেন, কেউ কেউ শিশুদের কে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দিয়ে সেলফি তুলেছেন, কেউ প্রচন্ড ঠান্ডায় ঘুমন্ত মানুষগুলোর গায়ে একটি কম্বল বা শীত বস্ত্র জড়িয়ে দিয়েও সেলফি তুলেছেন, কেউ কেউ প্রচন্ড শীতে যখন গরম কপিতে চুমুক দিচ্ছেন তখন পাশের টোকাই ছেলেটা কেও কপি খাইয়ে ওর সাথে হাসিমুখে সেলফি তুলেছেন। আপনারা যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন অসহায় মাুষগুলোর প্রতি তা চমৎকার একটি দৃষ্টান্ত। আপনারা আপনাদের মানবিক মনের মানবিক সৌন্দর্যটুকু প্রকাশ করেছেন। আমরা আপনাদের মানবিক সনদ দিয়ে সম্মানিত করছি, আসল সম্মান তো নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আপনাদের দিবেন।  এই মানবিক সেলফি উৎসবে যারা অংশগ্রহন করেছেন তারা প্রমাণ করেছেন, আপনার সবাই সুন্দর মনের মানুষ। আপনারা চাইলেই সমাজের ছিন্নমূল অসহায় মানুষগুলোও ভালো থাকতে পারেন। আপনারা দেখিয়েছেন মানুষকে ভালোবাসার চেয়ে, মানুষের সেবা করার চেয়ে মহৎ কিছু নেই। আপনারা সমাজের অসহায় শিশুদের সাথে, অসহায় নারীদের সাথে, খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর সাথে, মানুষগুলোকে ভালোবেসে, ওদের কে নিজের সাধ্যমত সহযোগিতা দিয়ে, সেবা দিয়ে হাসিমুখে ওদেরকে বুকে জড়িয়ে ধরে সেলফি তুলেছেন। এই সেলফি বিলাসিতার নয়, অহংকারেরও নয়। এই সেলফি মানবিক সেলফি। এই সেলফি অসহায় মানুষকে ভালোবাসার আপন করে নেওয়ার সেলফি। এই সেলফি আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসার বন্ধনকে সুদৃঢ় করেছে। আপনারা দেখিয়েছেন ফেসবুকের মাধ্যমেও সমাজের জন্য ভালো ও মহৎ কাজ করা যায়। আজকের এই মানবিক সেলফি উৎসবের সনদ বিতরনী অনুষ্ঠানে আগত সকল অতিথি, অংশগ্রহণকারী, সকল বন্ধু-শুভাকাঙ্খী, দৈনিক ফেনীর সময় পরিবার ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক শ্রদ্ধাভাজন জনাব মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা চাইলেই উদার মন নিয়ে সমাজের অসহায় মানুষগুলোর জন্য আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়েও ভালো কাজ, মহৎ কাজ করতে পারি। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য- শুধু গানে নয়, আমরা সবাই মিলে চাইলেই বাস্তবে তা প্রমান করতে পারি। আমাদের একটু ভালো কাজের বিনিময়ে সমাজের অসহায় মানুষগুলোও ভালো থাকুক, তাদের মুখে হাসি ফুটে উঠুক বারে বারে। এই হোক আমাদের সকলেরই প্রত্যাশা।

লেখক : মানবিক সেলফি উৎসব সমন্বয়ক।

আবাহনীর কাছে হারলো ফেনী সকার

ক্রীড়া সময় ডেস্ক : লি অ্যানড্রিউ টাক'র একমাত্র গোলে ফেডারেশন কাপ ফুটবলে ফেনী সকার ক্লাবকে ১-০ গোলে হারিয়ে ‘এ’ গ্র“প থেকে টুর্নামেন্টের শেষ আট নিশ্চিত করেছে ঢাকা আবাহনী। আবাহনীর আগে একই গ্র“প থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আরামবাগ ক্রীড়া চক্র।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ডু অর ডাই ম্যাচে ফেনী সকারের বিপক্ষে খেলতে নেমে প্রথমার্ধের ১ মিনিটের মধ্যেই সাফল্য পায় আবাহনী। ৪৫ সেকেন্ডে নাবিব নেওয়াজ জীবনের কিক অফ থেকে বল রিসিভ করেন সানডে সিজোবা। আর সিজোবার এগিয়ে থেকে বল থেকে লি অ্যান্ড্রিউ টাক ফেনী জালে বল জড়িয়ে আবাহনীকে ১-০ তে এগিয়ে দেন।
শুরুতেই এগিয়ে থেকে থেমে ছিলোনা আকাশী রঙের জার্সীধারীরা। কেননা, ৭ মিনেটে ফেনী ডি বক্সের ভেতর থেকে সোজা গোলপোস্টে হেড করেছিলেন জীবন। কিন্তু গোলরক্ষক লাফিয়ে উঠে গোলবারের উপর দিয়ে তা ক্লিয়ার করলে এ যাত্রায় বেঁচে যায় ফেনী।
আবাহনীর এমন মুহুর্মুহু আক্রমণের সময় বসে ছিলনা ফেনীও। ৮ মিনিটে ঠিক তেমনই এক আক্রমণ রচনা করে ফেনী অধিনায়ক আকবার হোসেন রিদন একাই বল নিয়ে গিয়েছিলেন আবাহনী সীমানায়। কিন্তু ডি বক্সের বাইরে থেকে নেয়া তার শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ঠ হওয়ায় গোলের সুযোগ তৈরী করেও বঞ্চিত হয় ফেনী সকার ক্লাব।
ফেনীর পর আবার আক্রমণের পাল্লা ভারী হয় আবাহনী সীমানায়। কেননা, ৩১ মিনিটে ফেনী ডি বক্স সীমানার ডান প্রান্ত থেকে ওয়ালী ফয়সালের ফ্রি কিক থেকে গোলবারের একেবারে সামনে থেকে হেড করেছিলেন নাবিব নেওয়াজ জীবন। কিন্তু এবারও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন এই আবাহনী ফরোয়ার্ড। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কোচ জর্জ অ্যাডালবার্ট কোটানের শিষ্যরা।
বিরতি থেকে ফিরে ব্যবধান বাড়াতে আক্রমণের ধার বাড়ায় আবাহনী। তাদের সেই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় ৫৪ মিনিটে ডিবক্সের বা প্রান্ত থেকে লি টাকের ক্রস ফেনী গোলরক্ষক সুজন লাফিয়ে উঠে গ্লাভসবন্দি করলে গোল বঞ্চিত হয় আবাহনী।
এর ঠিক তিন মিনিট পর আবার আবাহনী আক্রমণ। ফেনী ডি বক্সের ভেতর লি টাকের ভলি থেকে জীবন শট নিলে তা রুখে দেন সুজন। আবাহনীর পর ৬৬ মিনিটে ফেনীর প্রথম গোছালো আক্রমন একটি আক্রমন দেখা যায়। আবাহনীর ডি বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক ফ্রি কিক নেন ফেনীর নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার উচি ফিলিক্স। সেই ফ্রি কিকটি সোজা গিয়ে আবাহনীর জালে চুমু খেতে চাইলে তা ঝাঁপেয়ে পড়ে রক্ষা করেন আবাহনী গোলরক্ষক শহীদুল।
এরপর খেলার একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ব্যবধান বাড়াতে চেষ্টা করেছে আবাহনী আর ফেনী চেয়েছে সমতায় ফিরতে কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউই তাদের চেষ্টায় সফল না হলে ম্যাচ শেষে জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার আনন্দে ভেসে মাঠ ছাড়ে ঢাকা আবাহনী। আর ফেনী মাঠ ছাড়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার হতাশা নিয়ে।

৬৪ তে পা রাখলেন কবি মনজুর তাজিম

সময় রিপোর্ট : ৬৪ তে পা রাখলেন কবি মনজুর তাজিম। ১৯৫২ সালের ৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় পিতার কর্মস্থলে জন্মগ্রহন করেন। তার মাতা ফেরদৌস আরা বেগম ও মরহুম পিতা কাজী আহমেদুল হক এর দ্বিতীয় সন্তান। তারা ৪ ভাই ও ৪ বোন। তিনি ছোটকাল থেকে গ্রামের বাড়ী ছাগলনাইয়া উপজেলার হরিগ্রামে তাঁর শৈশব কাটে। তখন থেকে তার লেখালেখির হাতেখড়ি। তিনি ফেনী পাইলট হাই স্কুল থেকে ১৯৭০ সালে ম্যাট্টিক পাশ করে ফেনী সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ হয়ে নোয়াখালী সরকারী কলেজ থেকে øাতক ডিগ্রী অর্জন করে।
এ যাবতকালে তার অন্তত ১০টি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি অব্যাহতভাবে লিখে চলেছেন। কবির সহধর্মীনির নাম বিফলা তাজিম। অপু ও তপু দুই যমজ সন্তানের জনক।

ইন্টারনেটে বোকা হচ্ছে মানুষ !

সময় ডেস্ক : ইন্টারনেটের হাত ধরে মানুষ যখন দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় বেঁধে ফেলেছে, তখন ‘অন্তর্জাল’-এর ব্যবহারের ওপর প্রশ্ন তুললেন বিজ্ঞানীরা৷ নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনের ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী মানুষের পড়াশোনা সংক্রান্ত আচরণের ওপর গবেষণা করতে গিয়ে খুঁজে পেলেন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ তারা জানাচ্ছেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে মানুষ দিন দিন বোকা হয়ে যাচ্ছে৷ ইন্টারনেটের বিশাল জগত আমাদের সামনে সীমাহীন তথ্যভাণ্ডার তুলে দিয়েছে। কিন্তু অনলাইনে বিভিন্ন বিষয় পড়লে মানুষের চেতনা বা বোধশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলেই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা৷
ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ভ্যাল হুপার ও তার সহযোগী গবেষক চান্না হেরাথ অনলাইনে পড়াশোনা এবং অফলাইনে (বইপত্র) পড়াশোনার ধরন ও প্রভাব নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এতে দেখা যায়, ইন্টারনেটভিত্তিক পড়াশোনায় মানুষের মনে রাখার সামর্থের ওপর কোনোও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তারা অনেক সময় নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দেন।
অন্যদিকে, বই পড়ে মানুষ যে পরিমাণ গভীর মনোযোগ, উপলব্ধি, তথ্যধারণ ও স্মৃতিচারণা করতে পারেন, অনলাইন পড়াশোনায় তা সম্ভব নয়৷ইন্টারনেটে নিবিড় পড়াশোনার পরিবর্তে সাধারণত দ্রুত পড়ার প্রতি আকৃষ্ট হয় মানুষ। আবার ই-মেল, সংবাদ অনুসন্ধান, বিভিন্ন লিঙ্কে ঢুঁ মারা বা ভিডিও ক্লিপস দেখতে গিয়ে অনলাইনে নিবিড় পড়াশোনায় বিঘœ ঘটে৷হুপার বলেন, কম্পিউটারে পড়াশোনা করতে গেলে মনোযোগ অন্যদিকে যাবেই। এটাই প্রত্যাশিত৷
গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, মনে রাখার সুবিধার্থে অনেকে ইন্টারনেটের বিভিন্ন বিষয় কাগজে প্রিন্ট করে নিয়ে তারপর পড়েন। এতে তাদের মনোযোগ বেশি থাকে এবং পড়াশোনার সুফলও পুরোপুরি পাওয়া যায়। আর সে কারণেই লোকজন এখনও কাগজে ছাপা অক্ষর পড়তেই বেশি সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন৷- ওয়েবসাইট।

June 2016
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
29 30 31 1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 1 2