সর্বশেষ সংবাদ :

    • দৈনিক ফেনীর সময় নতুন ‍আঙ্গিকে পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে....

আজ ৯ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ | |

ব্যাংক গ্রাহকদের অভিযোগ শুনে বিস্মিত গভর্নর

ঢাকা অফিস : বাংলাদেশের ব‌্যাংকগুলোর সেবার মান নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ শুনে বিস্ময় প্রকাশ করে গভর্নও ফজলে কবির বলেছেন, এটা উদ্বেগজনক। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের ২০১৫-১৬’ এর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে কয়েকজন গ্রাহকের অভিযোগ শুনে বিস্মিত হন তিনি।

তিনি বলেন, ‘গ্রাহকদের কাছ থেকে যে সব অভিযোগ আমরা শুনলাম, তাতে আমার কাছে আশ্চর্য লাগছে, এগুলো কীভাবে হতে পারে? ‘প্রতিটি অভিযোগ ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রমের সাথে জড়িত। এগুলো কোনো সাধারণ বিষয় নয় যে কেউ ছেড়া টাকা বদলাতে গিয়ে পারেনি। এটা অ‌্যালার্মিং।’

অনুষ্ঠানে কয়েকজন গ্রাহক ব‌্যাংকে নিজেদের হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। একজন গ্রাহক বলেন, তার ভাই বিদেশ থেকে টাকা পাঠিয়েছেল সে টাকা অন্য কেউ তার ব্যাংক থেকে তুলে নিয়ে যায়।

আরেকজন বলেন, এলসি সংক্রান্ত সমস্যাগুলোতে সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে সমাধান করতে হয়। প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত সবচেয়ে বড় সোনালী ব্যাংকেই ২০১৫-১৬ অর্থবছরে গ্রাহকরা বেশি হয়রানির শিকার হন। সোনালী ব্যাংক নিয়ে গ্রাহকরা ৫৬৩টি অভিযোগ করেছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংক, এই ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ৩৭৩টি। তৃতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক, এই ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ২৯১টি। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৬৮টি, জনতা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৩১টি, ডাচ বাংলা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২০৪টি, কৃষি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৮৪টি, পূবালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৩২টি, রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৩১টি এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১২৬টি অভিযোগ পড়ে ওই অর্থবছরে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিভিন্ন ব‌্যাংকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪ হাজার ৫৩০টি অভিযোগ আসে। এর মধ্যে টেলিফোনে ২ হাজার ৩৮৪টি, লিখিতভাবে ২ হাজার ১৪৬টি অভিযোগ জমা পড়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ বেশি, যা মোট অভিযোগের ৫৮.৭০ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ২৮.২৮ শতাংশ, বিদেশি ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ৪.০৬ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ৪.৬৬ শতাংশ। প্রতিবেদনে গ্রাহক হয়রানির চিত্র দেখে গ্রাহকবান্ধব আচরণ করার জন্য সব তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানান গভর্নর ফজলে কবির।

তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণ আমাদের বিশ্বাস করে ব্যাংকে টাকা রাখেন। বিশ্বস্ততার সঙ্গে তাদের সেবা দিতে হবে। এই সেবা দিতে গিয়ে যে অভিযোগ ও অসন্তুষ্টি থাকে তা অনাকাঙ্ক্ষিত।’ গ্রাহকদের সব ধরনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তা দ্রুত সমাধানে সক্রিয় হতেও ব‌্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের ব‌্যাংকগুলো তদারকির দায়িত্বে থাকা সংস্থার প্রধান ফজলে কবির।

গ্রাহকের আস্থা হারালে যে টিকে থাকা কঠিন হবে, অনুষ্ঠানে বক্তবে‌্য তা ব‌্যাংকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দেন ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান।

‘কোনো ব্যাংকের উপর যদি জনগণের আস্থা কমে যায়। সেই ব্যাংকের টিকে থাকা দুরূহ হয়ে পড়ে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

লালপোলে সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত

সদর প্রতিনিধি : ফেনী শহরতলীর লালপোলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গতকাল শুক্রবার সকালে পিকআপ-ভ্যান ও ট্রাকের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন।
মহিপাল হাইওয়ে থানার এস.আই জহিরুল হক জানান, সকালে সীতাকুন্ড এলাকা থেকে কাঁচামাল বোঝাই একটি দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান মহাসড়কের লালপোল এলাকায় পৌঁছে। এসময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছন দিয়ে ধাক্কা দিলে চালক আবছার হোসেনের পিতা সামছুল হুদা ও যাত্রী ইছহাক আহম্মদের পিতা কবির আহম্মদ নিহত হন। তারা দু’জনই সিতাকুন্ড এলাকার বাসিন্দা। এতে ঘটনাস্থলে পিকআপ ভ্যানটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং চালক ও যাত্রী উভয়ই মারা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

আমিনুল ইসলাম পারভেজ রচিত ‘কান্তিকালের কাব্য’ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন

আমিনুল ইসলাম পারভেজ রচিত ‘কান্তিকালের কাব্য’ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দৈনিক ফেনীর সময় কার্যালয়ে মোড়ক উম্মোচনকালে অন্যান্যদের মধ্যে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও ফেনী পোয়েট সোসাইটির সভাপতি মাহবুব আলতমাস, দৈনিক ফেনীর সময় সাহিত্য সম্পাদক কবি মনজুর তাজিম, কবি শাবিহ মাহমুদ, কবি শ্রাবন নজরুল, কবি সবুজ তাপস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন > জিয়াউল হক সোহেল

দাগনভূঞায় আশা’র নিজস্ব তহবিলে মস্য চাষিদের প্রশিক্ষণ

দাগনভূঞা প্রতিনিধি : আশা ফেনী জেলার ডিস্ট্রিক ম্যানেজার মোস্তাক আহমদ এর সভাপতিত্বে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার বি.আর.ডিবি মিলনায়তনে আশা’র নিজস্ব তহবিলে “ মৎস্য চাষিদের প্রশিক্ষণ” অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম ভুইয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন আশা’র ঢাকা ফিসারিজ পরামর্শক মো: ছেরাজ উদ্দিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জোনাল ম্যানেজার মো: আবদুল জলিল। উদ্বোধন পরবর্তী সময়ে প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন ফেনী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো: মনিরুজ্জামান। সহযোগিতায় ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার পাল। উপস্থিত ছিলেন আরএম (এগ্রিবিজনেস) মো: নাছির উদ্দিন, ফেনী ও খাগড়াছড়ি জেলার এএসই মো: জাহিদুর রহমান। প্রশিক্ষণে মোট ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণের সার্বিক ত্বতাবধানের ছিলেন দাগনভূঞা অঞ্চলের রিজনাল ম্যানেজার দিবাকর চন্দ্র দে।

 

 

সুস্বাদু কদবেলের অসাধারণ গুণ

স্বাস্থ্য সময় ডেস্ক : চলছে সুস্বাদু কদবেলের ভরা মৌসুম। বাজারে এর প্রাপ্তিও বেশ। লবণ মরিচের গুড়ায় কদবেল ভর্তার নাম শুনলে সহজেই জিভে জল আসে যে কারো। শক্ত খোলসে আবৃত ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মৌসুমী এ ফল মূলত স্বাদের কথা বিবেচনা করেই খাওয়া হয়। তবে পুষ্টিগুণ বিচারে কদবেল সত্যিই অনন্য। কদবেলের আছে নানা পুষ্টিগুণ। এতে খাদ্যশক্তি রয়েছে কাঁঠাল ও পেঁয়ারার প্রায় সমান। আমিষের পরিমাণ রয়েছে আমের চেয়ে সাড়ে ৩ গুন, কাঁঠালের দ্বিগুন, লিচুর চেয়ে ৩ গুস, আমলকী ও আনারসের চেয়ে ৪ গুন বেশি এবং পেঁপের চেয়ে দ্বিগুনের একটু কম। প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলের পুষ্টিমান পানীয় অংশ ৮৫.৬ গ্রাম, খনিজপদার্থ ২.২ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪৯ কিলোক্যালোরি, আমিষ ৩.৫ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ৮.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫.৯ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৬ মিলি গ্রাম, ভিটামিন-বি ০.৮০ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন-সি ১৩ মিলিগ্রাম। জেনে নিন কদবেলে থাকা এসব উপাদান মানুষের শরীরে কী কী উপকার করতে সক্ষম।
পেটের রোগ নিরাময় : কদবেলে থাকা ট্যানিন নামক উপাদান দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া ও পেট ব্যথা ভালো করে। কদবেল গাছের বাকল মধু সঙ্গে মিশ্রিত করে খেলে পেটের রোগ আমাশয় ভারো করে। কাঁচা কদবেল ছোট এলাচ, মধু দিয়ে মাখিয়ে খেলে বদহজম দূর হয়। এই ফলের নির্যাস কলেরা এবং পাইলসের জন্য প্রতিষেধক ওষুধ হিসাবে কাজ করে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধক : কদবেলের নির্যাস ব্যাপকভাবে ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য আয়ূর্বেদী ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ : কদবেল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্নায়ুর শক্তি যোগায়। ত্বকের জ্বালা পোড়া কমাতে কদবেলের ক্বাথ মলম হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
কিডনি সুরক্ষা : কদবেল উদ্দীপক ও মূত্রবর্ধক কাজে বিশেষ উপাদেয়। এ ফল নিয়মিত খেলে কিডনি সুরক্ষিত রাখে। প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা কিডনি সমস্যা দূর করার জন্য সেরা প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে এটি ব্যবহার করতেন। এ ফল যকৃত ও হৃৎপিণ্ডের জন্যও বিশেষ উপকারী।
পেপটিক আলসার নিরাময়ে : কদবেল পাতার ক্বাথ পানীর সঙ্গে নিয়মিত পান করলে পেপটিক আলসার দ্রুত ভালো হয়। আলসারের খত সারাতে তাজা কদবেল বেশ কার্যকরী।
রূপচর্চায় সহায়ক : ব্র“ণ ও মেছতায় কাঁচা কদবেলের রস মুখে মাখলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিরাময় : কদবেল পাতার নির্যাস শ্বাসযন্ত্রের চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। দুধ এবং চিনি দিয়ে কদবেলের পাতা মিশিয়ে স্নেহপূর্ণ খাদ্য তৈরি হয়। এই রস শিশুদের পেটের ব্যথার চিকিৎসায় চমৎকার কাজ করে। কদবেল যকৃত ও হৃৎপিণ্ডের জন্যও বিশেষ উপকারী।
রক্ত স্বল্পতা রোধ : এই ফল রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। বুক ধড়ফড় এবং রক্তের নিম্নচাপ রোধেও সহায়ক। চিনি বা মিছরির সঙ্গে কদবেল পাউডার মিশিয়ে খেলে সঙ্গে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয় এবং রক্তস্বল্পতাও দূর হয়।

অদম্য মেধাবী ফারুক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়

আলী হায়দার মানিক : ফেনী শহরতলীর পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ইলাশপুর গ্রামের এক চা দোকানীর ছেলে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। অদম্য মেধাবী ইকবাল হোসেন ফারুকের বাবা ইলাশপুর রকমারী মৎস্য খামার সংলগ্ন স্থানে একটি চা দোকান করে। চা দোকান করে পরিবার চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ায় হিমশিম খেতে দেখে ফারুকের মা গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। শুধু তাই নয় তার দুই বোনও ঝি এর কাজ করেন। মা এবং বোন উভয় ঝি এর কাজ করায় বাড়িতে একাই থাকতে হয় ফারুককে। সে রান্না-বান্নসহ যাবতীয় কাজের ফাঁকে নিয়মিত অধ্যয়ন করতো। সাধারনত রান্না-বান্না ও বাড়ির আনুসাঙ্গিক কাজগুলো মহিলারাই করে থাকে। কিন্তু ফারুকের মা ও বোন ঝি এর কাজ করায় সে সব কাজ করতে হতো। যাবতীয় কাজকর্ম করার পরও সে পড়া-লেখার পাশ্বাপাশি প্রাইভেট পাঠানোর জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটে চলে। ফারুক জানায়, সে পরিবারের অভাব অনটন দেখে অষ্টম শ্রেণিতে পড়–য়া অবস্থা থেকেই প্রাইভেট পাড়ানো শুরু করে। পরিবারের অভাব অনটনের মধ্যে তাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি জিপিএ-৫ পাওয়া। সে অভাব অনটনকে হারমানিয়ে জিপিএ-৫ ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ফারুক ইলাশপুর গ্রামের মোলকত মেম্বার বাড়ির একরাম হোসেন ও রেজিয়া বেগমের ৫ সন্তানের মধ্যে ৪র্থ। সে পাঁচগাছিয়া এ জেড খাঁন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। ইকবাল হোসেন ফারুক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। সমাজের বৃত্তবানদের দোয়া ও সহযোগিতায় অদম্য মেধাবী ফারুক প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাফল্যের প্রত্যয়  কামনা করেছে। এদিকে ফারুকের পিতা একরাম হোসেন জানান, তাদের কোন রকম জায়গা-জমি নেই। শুধু মাত্র এক থেকে দেড় শতাংশ বসত ভিটা আছে। যেখানো কোন রকম মাথা নোয়ানোর ঠাই হয়।
রকমারী মৎস্য খামারের স্বত্ত্বাধিকারী এডভোকেট আহসান হাবিব সাজু ফেনীর সময় কে জানান, নি:স্ব পরিবার হওয়ায় ফারুকের মা ও বোন তার বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে এবং তার বাবাকে খামারের পাশে একটি চা দোকান করা সুযোগ দেয়।

চার দেশে বাণিজ্যিকভাবে ‘আয়নাবাজি’

বিনোদন সময় ডেস্ক : সারাদেশের দর্শক মাতানোর পর এবার সীমানা পেরিয়ে বিদেশে পাড়ি দিলো ‘আয়নাবাজি’। বিশ্বের উন্নত চারটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পাচ্ছে এটি।
প্যারিসের পাবলিসিস সিনেমা হলে আগামী ১৭ নভেম্বর ‘আয়নাবাজি’র প্রদর্শনী হবে। এখানে অংশ নেবেন ছবিটির প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল, পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও কাহিনিকার গাউসুল আলম শাওন। গত মে মাসে ৬৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের বাণিজ্যিক শাখা মার্শে দ্যু ফিল্মে অংশ নেয় এটি।
জানা গেছে, পুরো সপ্তাহব্যাপী ‘আয়নাবাজি’র ১৪টি প্রদর্শনী হবে। আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, সানফ্রান্সিসকো, অস্টিন, শিকাগো এবং ডালাস শহরে মুক্তি পাবে এই ছবি। একই দিন থেকে কানাডার টরন্টো ও ক্যালগেরি শহরের সিনেপ্লেক্সে চলবে এটি। ২৬ নভেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, ক্যানবেরা, মেলবোর্ন, ব্রিজবেইন, অ্যাডিলেড ও পার্থের সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে ‘আয়নাবাজি’।
এ প্রসঙ্গে প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল বলেন, ‘মুক্তির সাত সপ্তাহ পরও ব্যবসা করছে আমাদের ছবি। সারাদেশে ব্যাপক সাফল্য অর্জনের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ‘আয়নাবাজি’ সফল হবে আশা করি। বাংলাদেশি কোনো ছবির ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি আমাদের দেশের জন্য গৌরবের।’
গত ৩০ সেপ্টেম্বর মুক্তির পর সাড়া জাগায় ‘আয়নাবাজি’। এখনও স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লাকবাস্টার সিনেমাস, শ্যামলী সিনেপ্লেক্স, বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড, মধুমিতায় হাউসফুল হচ্ছে এটি। দেশের অভিনেতা, অভিনেত্রী, রাজনীতিবিদ, খেলোয়াড় এবং উচ্চপদস্থ ও প্রখ্যাত ব্যক্তিরা সাধারণ দর্শকদের এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল সাউথ এশিয়ান চলচিত্র উৎসবে বেস্ট ন্যারেটিভ ফিল্ম পুরস্কার পেয়েছে ছবিটি।
‘আয়নাবাজি’তে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাবিলা, পার্থ বড়ুয়া, লুৎফর রহমান জর্জ, হিরা চৌধুরী, শওকত ওসমান, গাওসুল আলম শাওনসহ অনেকে। ছবিটির মূল ভাবনা গাওসুল আলম শাওনের; চিত্রনাট্যও তিনি লিখেছেন অনম বিশ্বাসের সঙ্গে। এর নির্বাহী প্রযোজক এশা ইউসুফ।

অনুর্ধ্ব-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে ঢাকাকে দেড় শতকের টার্গেট ফেনীর লাবিবের পারফরমেন্সে এগিয়ে চট্টগ্রাম

ক্রীড়া সময় ডেস্ক : ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব-১৪ জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় রাজধানীর দল ঢাকা সাউথকে ১৪৭ রানের টার্গেট দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দল। ৬৩ ওভার খেলে দলটির খেলোয়াড়রা যখন ১৪৬ রান সংগ্রহ করেছে তখন ৪ উইকেটে বিরোধী শিবিরের সংগ্রহ ৫৭ রান। প্রথমবারের মত টেস্ট ইনিংসে মফস্বলের জেলা ফেনীর তাহমিদ চৌধুরী লাবিবের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে এগিয়ে রয়েছে বিভাগীয় টিম।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজশাহীর শেখ কামরুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়ামে দুইদিনের টেস্ট ইনিংসে ঢাকা সাউথের বিপক্ষে মাঠে নামে তারা। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে রাকিবুল হাসান ও তাহমিদ চৌধুরী লাবিব। ৬৩ বল খেলে রানের জুটিতে ১৬ রান সংগ্রহ করে রমজান হাওলাদারের হাতে বল তুলে দিয়ে প্রথম ক্যাচ আউট হয় রাকিব। একেএকে সাইফুদ্দিন খান ও নাঈম উদ্দিন চৌধুরী মাঠে নেমেও কোন রান ছাড়াই ফিরতে হয়েছে গ্যালারিতে। তখন কিছুটা চট্টগ্রাম শিবিরে স্বস্থি এনে দেয় লাবিব। শাহরিয়ার হাসান নামলে ফের জুটি তৈরি করে একই জেলার এ দুই ক্ষুদে খেলোয়াড়। ৫৫ বলে ২৬ রান সংগ্রহ শাহরিয়ারের। ১শ ৬ বল খেলে সর্বোচ্চ ৩৪ রান নিয়ে ক্যাচ আউট হয় লাবিব। ফেনীর শাহরিয়ার হাসান হৃদয় ২৬ রান নিয়ে ক্যাচ আউট ও আসিবুল হক খান ২২ নিয়ে অপরাজিতা থাকে। এছাড়া দলের পক্ষে শহীদুল ইসলাম ১৫, তোফায়েল আহমদ ৯, মো: ইমরান ১৪, শাহরিয়ার আলম মহিম ০ ও রাশিদুল ইসলাম ২ রান করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা সাউথ ৩৬ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে দিপ্ত হালদার ২২ ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি ২ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন। চট্টগ্রামের হয়ে ফেনীর আসিবুল হক খান একটি উইকেট তুলে নেন। অন্যদের মধ্যে শাহরিয়ার আলম মহিম, সাইফুদ্দিন খান ও রাশিদুল ইসলামও একটি করে উইকেট পেয়েছেন। আজ শনিবার সকাল ৯টা থেকে একই ভেন্যুতে যথারীতি ম্যাচ শুরু হবে।

৬৪ তে পা রাখলেন কবি মনজুর তাজিম

সময় রিপোর্ট : ৬৪ তে পা রাখলেন কবি মনজুর তাজিম। ১৯৫২ সালের ৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় পিতার কর্মস্থলে জন্মগ্রহন করেন। তার মাতা ফেরদৌস আরা বেগম ও মরহুম পিতা কাজী আহমেদুল হক এর দ্বিতীয় সন্তান। তারা ৪ ভাই ও ৪ বোন। তিনি ছোটকাল থেকে গ্রামের বাড়ী ছাগলনাইয়া উপজেলার হরিগ্রামে তাঁর শৈশব কাটে। তখন থেকে তার লেখালেখির হাতেখড়ি। তিনি ফেনী পাইলট হাই স্কুল থেকে ১৯৭০ সালে ম্যাট্টিক পাশ করে ফেনী সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ হয়ে নোয়াখালী সরকারী কলেজ থেকে øাতক ডিগ্রী অর্জন করে।
এ যাবতকালে তার অন্তত ১০টি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি অব্যাহতভাবে লিখে চলেছেন। কবির সহধর্মীনির নাম বিফলা তাজিম। অপু ও তপু দুই যমজ সন্তানের জনক।

ইন্টারনেটে বোকা হচ্ছে মানুষ !

সময় ডেস্ক : ইন্টারনেটের হাত ধরে মানুষ যখন দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় বেঁধে ফেলেছে, তখন ‘অন্তর্জাল’-এর ব্যবহারের ওপর প্রশ্ন তুললেন বিজ্ঞানীরা৷ নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনের ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী মানুষের পড়াশোনা সংক্রান্ত আচরণের ওপর গবেষণা করতে গিয়ে খুঁজে পেলেন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ তারা জানাচ্ছেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে মানুষ দিন দিন বোকা হয়ে যাচ্ছে৷ ইন্টারনেটের বিশাল জগত আমাদের সামনে সীমাহীন তথ্যভাণ্ডার তুলে দিয়েছে। কিন্তু অনলাইনে বিভিন্ন বিষয় পড়লে মানুষের চেতনা বা বোধশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলেই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা৷
ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ভ্যাল হুপার ও তার সহযোগী গবেষক চান্না হেরাথ অনলাইনে পড়াশোনা এবং অফলাইনে (বইপত্র) পড়াশোনার ধরন ও প্রভাব নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এতে দেখা যায়, ইন্টারনেটভিত্তিক পড়াশোনায় মানুষের মনে রাখার সামর্থের ওপর কোনোও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তারা অনেক সময় নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দেন।
অন্যদিকে, বই পড়ে মানুষ যে পরিমাণ গভীর মনোযোগ, উপলব্ধি, তথ্যধারণ ও স্মৃতিচারণা করতে পারেন, অনলাইন পড়াশোনায় তা সম্ভব নয়৷ইন্টারনেটে নিবিড় পড়াশোনার পরিবর্তে সাধারণত দ্রুত পড়ার প্রতি আকৃষ্ট হয় মানুষ। আবার ই-মেল, সংবাদ অনুসন্ধান, বিভিন্ন লিঙ্কে ঢুঁ মারা বা ভিডিও ক্লিপস দেখতে গিয়ে অনলাইনে নিবিড় পড়াশোনায় বিঘœ ঘটে৷হুপার বলেন, কম্পিউটারে পড়াশোনা করতে গেলে মনোযোগ অন্যদিকে যাবেই। এটাই প্রত্যাশিত৷
গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, মনে রাখার সুবিধার্থে অনেকে ইন্টারনেটের বিভিন্ন বিষয় কাগজে প্রিন্ট করে নিয়ে তারপর পড়েন। এতে তাদের মনোযোগ বেশি থাকে এবং পড়াশোনার সুফলও পুরোপুরি পাওয়া যায়। আর সে কারণেই লোকজন এখনও কাগজে ছাপা অক্ষর পড়তেই বেশি সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন৷- ওয়েবসাইট।

March 2017
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
26 27 28 1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31 1